শুভ বিজয়া দশমী কিভাবে পালন করা হয়

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ, আর বাঙালি জাতির সবচেয়ে জনপ্রিয় উৎসব হল দুর্গাপূজা। এই উৎসবের জন্য সকলেই একটি গোটা বছর অপেক্ষা করে থাকে। পুজোর এই দশটি দিন জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে মিলেমিশে উদযাপন করে ও পরস্পর আনন্দে এক হয়ে যায়। দুর্গাপূজোর শেষ দিন অর্থাৎ দশমীর দিন হল বিজয়া (Subho Bijoya Dashami)। তার পরেই কৈলাসে মায়ের ফিরে যাওয়ার পালা। আনন্দের এই কটা দিনের পর মায়ের যাওয়ার কথা শুনলেই মনটা কেমন যেন বিষাদে ভরে যায়। 

Read :- Best Durga Puja in Kolkata 2021 | North and South pandal guide

শুভ বিজয়া দশমী
শুভ বিজয়া দশমী

Table of Contents

শুভ বিজয়া

দশমীর দিন সকলে মায়ের পায়ে সিঁদুর দানের মাধ্যমে মাকে বিদায় জানানো হয় এবং আমরা মেতে উঠি সিঁদুর খেলায়। আনন্দের সঙ্গে বিদায় জানাই মা দূর্গাকে এবং বিসর্জনের সময় সকলে বলে উঠি ‘আসছে বছর আবার হবে’।

বিসর্জনের পর সমবয়স্ক দের সাথে আলিঙ্গন, বড়দের প্রণাম ও ছোটদের ভালবাসা জানিয়ে মিষ্টিমুখ, করে আমরা বিজয়া দশমী পালন করি।  বর্তমানে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এ ছবি, এস এম এস ইত্যাদি ভরে যায় শুভ বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা বার্তায়।

‘শুভ বিজয়া’ নাম কেনো হয় তা নিয়েও দ্বিমত আছে। পুরাণে বলা হয় যে, দুর্গাদেবী অসুরকে বধ করেছিলেন এবং সেই সাথে অশুভ শক্তিরও বিনাশ করেছিলেন। সেই জয় থেকেই দিনটি পালিত হয় ‘বিজয়া’ হিসাবে। আবার শাস্ত্রমতে, শ্রী রামচন্দ্র সীতাকে রাবণের হাত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য শরৎকালে অসময়ে দুর্গাপূজা করেছিলেন, যা ‘অকালবোধন’ নামে পরিচিত। রাবণকে পরাজিত করে তিনি সীতাকে ফিরিয়ে এনেছিলেন ও শ্রীরামচন্দ্র বিজয়ী হয়েছিলেন। সেই থেকেই আবির্ভাব ‘বিজয়া’র। তাই সাধারণ মানুষের কাছে অশুভ শক্তির বিনাশ, মায়ের বিদায় এবং সকল বিষাদের মধ্যে দিয়েও আনন্দে পালিত হয় শুভ বিজয়া।

কুমারটুলি

পশ্চিমবঙ্গের কুমারটুলি মাটির প্রতিমা গড়ার জন্য বিখ্যাত, যা উত্তর কলকাতায় অবস্থিত। ১৯৫০ সাল থেকে কুমোররা দেবদেবীর প্রতিমা তৈরীর কাজ করে আসছেন। প্রায় কয়েকশো বছর ধরে প্রতিভাবান কুমোরেরা প্রতিমা তৈরীর কাজ করছেন, সেই থেকে জায়গাটির নাম হয় ‘কুমোরটুলি’। বহু কুমোর পরিবার  এখানে বসবাস করার সাথে সাথে বিভিন্ন উৎসবে প্রতিমা তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। দুর্গা পুজোর প্রতিমা বেশিরভাগই কুমারটুলি থেকে আনা হয়, তাছাড়া অনেক প্রতিমা বিদেশেও পাড়ি দেয়।

কুমারটুলি

মহালয়া

দূর্গাপুজোর শুভ সূচনা ঘটে মহালয়ার পর থেকেই। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের গলায় মহালয়া পাঠ  বাঙালির মনে আলাদাভাবে জায়গা করে নিয়েছে। “আশ্বিনের শারদ প্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জীর…..” এই পাঠ যেন এক শিহরণ জাগিয়ে তোলে। সেই মহালয়া না শুনলে যেন পুজো অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

দূর্গা পূজা

আশ্বিন মাস মানেই দুর্গাপূজা। ঢাকের সেই শব্দ শুনলেই মন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। ঢ্যাং কুর কুর শব্দ দিয়েই শারদীয়ার সূচনা ঘটে। এই সময় চাকরি বা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রবাসী বাঙালিও ছুটি নিয়ে ফিরে আসে পুজোর কটা দিন কাটানোর জন্য।

মহালয়ার পরই শুরু হয় দশ দিনের এই পুজো। পঞ্চমী থেকে সকলেই প্রায় মণ্ডপ ও প্রতিমা দর্শনে বেরিয়ে পড়েন। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে দেখা যায় জনসমাগম। যদিও পুজোর প্রধান নিয়মবিধি শুরু হয় মহাসপ্তমী থেকে। অষ্টমীর সকালে অনেকেই শাড়ী-পাঞ্জাবী পরে পুষ্পাঞ্জলী দিতে বেরিয়ে পড়েন। অষ্টমীর বিকালে সন্ধিপূজা, ও কিছু কিছু জায়গায় কুমারী পুজোও করা হয়।

সবমিলিয়ে পুজোর কয়েকটা দিন বেশ ভালোই কাটে। চারিদিকে হইহুল্লোড়, আড্ডা, খাওয়া-দাওয়া, মজায় দেখতে দেখতে বেশ কেটে যায় কটা দিন। চারিদিক যেন আলোর রোশনাই তে ভরে ওঠে। 

পুজোর দিনগুলিতে কলকাতা সারারাত  জেগে থাকে। প্রতিমা দর্শনের ভিড় লক্ষ্য করা যায় মণ্ডপে মণ্ডপে। টেলিভিশন চ্যানেল গুলিতেও সারাদিন পুজোর আপডেট দেওয়া হয়। বহু মানুষ তাতেও চোখ রাখেন।

দূর্গা পূজা
দূর্গা পূজা

সন্ধিপূজা

সন্ধিপুজোর সময়কে সবচেয়ে শুভ সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়। পুজোর সময় অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট থেকে নবমী তিথির প্রথম ২৪ মিনিট পর্যন্ত এই শুভ সময় থাকে। এই তিথি যে সময় পড়ে, সে সময়েই এই পুজো করা হয়। সন্ধি পুজোর জন্য ১০৮ টি পদ্মফুল এবং ১০৮ টি প্রদীপ লাগে।

নবপত্রিকা স্নান

মহাসপ্তমীর দিনে সূর্য ওঠার আগে পূজার নিয়ম শুরু হয়। নয় রকম গাছের পুজো করা হয়, যা দেবী দুর্গার নয় অবতারকে বোঝায়। এই নবপত্রিকা ভোরের আগে গঙ্গা নদীতে কলা গাছসহ কোনও নিকটবর্তী পুকুরে স্নান করিয়ে শোভাযাত্রা করে নিয়ে যাওয়া হয়। কলা গাছটিতে নতুন কাপড় পরানো হয়ে থাকে। কলাবৌ বলতে গণেশের স্ত্রীকে বোঝায়, মন্ডপে গণেশের পাশে স্থাপন করা হয়। এটিকে নবপত্রিকা স্নান বা কলাবৌ স্নানও বলে। এটি প্রাচুর্য, শান্তি এবং সমৃদ্ধির প্রতীক।

মহাষষ্ঠী

দুর্গাপুজোর ষষ্ঠতম দিনে পালন হয় মহাষষ্ঠী। মহাষষ্ঠীকে দুর্গাপূজার শুরু হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এই দিনে খুব ভোরে পুজোর রীতি শুরু হয়। যেমন কল্পরম্ভ, আদিবাস, বোধন, আমন্ত্রণ প্রভৃতি।

Durga Puja Dhak Music

মহাসপ্তমী

মহাসপ্তমী দুর্গাপূজার সপ্তমী নামেও পরিচিত এবং দুর্গাপুজোর গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এই দিন থেকেই শুরু হয় মহাপুজা। এই দিন ভোরে কলাবৌ এর সাথে নবপত্রিকা স্নান করানো হয়।

মহাঅষ্টমী

অষ্টমী তিথিতে মা দুর্গার মহাগৌরী রূপের উপাসনা করা হয়। এই তিথি মহাঅষ্টমী বা দুর্গাঅষ্টমী নামেও পরিচিত। এদিনও মহাস্নান দিয়ে শুরু হয়, যা সপ্তমী পূজার অনুরূপ। অস্ত্রপুজা ও দেবীর নয়টি রূপের পূজা করা হয় মহাষ্টমী পূজার সময়। অষ্টমীর সকালে অনেকে অঞ্জলীও দেয়। অষ্টমীর প্রধান অনুষ্ঠান হল সন্ধিপুজো। এটি বিশ্বাস করা হয় যে দেবী চামুণ্ডা এই দিন চন্ডা এবং মুন্ডা অসুরদের বধ করেছিলেন । এই দিনে কুমারী পুজোও করা হয়।

কুমারী পূজা

কুমারী পূজা একটি হিন্দু ধর্মীয় রীতি, যা দুর্গাপূজার অষ্টমী বা নবমীর দিন পালন করা হয়ে থাকে। এই দিনে ছোট মেয়েদের দেবীর মত করে সাজানো হয়। কুমারী পূজা দুর্গা পুজোর একটি অপরিহার্য অঙ্গ, একজন অবিবাহিত কিশোরীকে দেবী রূপে উপাসনা করা হয়।

মহানবমী

মহানবমী পূজা দুর্গাপূজার রীতির শেষ দিন। দেবী দুর্গাকে মহিষাসুরমর্দিনী হিসেবে পূজা করা হয় মহানবমী তিথিতে। যার আক্ষরিক অর্থ হলো মহিষ অসুর বা মহিষাসুরের বধকারী। পূর্বে বহু পূজোর নিয়মবিধি মেনে পশু বলি দেওয়া হতো। এখন পশু বলি আইন নিষিদ্ধ হওয়ায়, ফল বা সবজি বলিদান দেওয়া হয় দেবী দুর্গার উদ্দেশ্যে।

ধুনুচি নাচ
ধুনুচি নাচ

পড়ুন:- সমস্ত ভ্রমণ গন্তব্য গুলি

দশমী পূজা

বিজয়া দশমী দুর্গাপূজার শেষ দিন। সকলে সিঁদুর খেলার সাথে মাকে বিদায় জানায়। মায়ের বরণ ও সকল নিয়মবিধি শেষ হওয়ার পর বিসর্জন ঘাটে গিয়ে দেবী প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। 

বিজয়া সম্মিলনী

‘বিজয়া’ সময়কাল শুরু হয় দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের পরেই। মানুষ ‘শুভ বিজয়া’ বলে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানায়। অনেক পূজো কমিটিই বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান আয়োজন করে। বহু জায়গায় বিজয়া দশমীর সময় ভোজের আয়োজন,ইত্যাদি  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা হয়।

দূর্গা পূজা কার্নিভাল

দুর্গা পুজো কার্নিভাল বার্ষিক একটি অনুষ্ঠান, যেখানে বছরের সেরা পূজা গুলি রেড রোডে প্রদর্শণ করা হয়। সেরা পুজোগুলি শোভাযাত্রার মাধ্যমে তাদের পুজোর বিষয়বস্তুকে তুলে ধরার চেষ্টা করে। নাচ, গান বা অন্যান্য দক্ষতার মধ্যে দিয়ে এই প্রদর্শন সম্পন্ন হয়। প্রায় আশিটির কাছাকাছি পূজা কমিটি এই অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিসর্জন এর আগে। 

দূর্গা পূজা কার্নিভাল
দূর্গা পূজা কার্নিভাল

সিঁদুর খেলার জন্য বিখ্যাত পুজো গুলি

বিসর্জন দেওয়ার আগে, মহিলারা দেবীর কপালে ও পায়ে সিঁদুর দেন এবং মিষ্টিমুখের  মাধ্যমে শুরু হয় দেবীমায়ের বরণের পালা। এর পরে সাথে সিঁদুর খেলা শুরু হয়। কিছু পূজা কমিটি দুর্গাপূজার শেষদিন দশমীতে সিঁদুর খেলার অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। যেমন বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন, বেহালা নতুন দল, আহিরীটোলা, বাগবাজার সর্বজনীন দুর্গোৎসব, বড়িশা ক্লাব, মুদিয়ালী, লোহাপট্টি প্রভৃতি জায়গায় সিঁদুর খেলার উৎসব পালন করা হয়।

শুভ বিজয়া দশমী কিভাবে পালন করা হয়
সিঁদুর খেলা

কোলকাতা বিসর্জনের ঘাট

মধ্য কলকাতার বাবুঘাট, যেখানে বহু প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়। তাছাড়া বাগবাজার ঘাট,  আহিরীটোলা, শিবপুর ঘাট প্রতিমা বিসর্জনের উপলক্ষে ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিমা নৌকায় করে নিয়ে গিয়ে মাঝ গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়।

দূর্গা ঠাকুর বিসর্জন

দশদিনের এই পুজোর শেষে মায়ের প্রতিমা গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়। মণ্ডপ থেকে বরণ ও সব নিয়মবিধি সম্পন্ন হওয়ার পর প্রতিমা বিসর্জনের জন্য ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। চারিদিক উচ্ছসিত হয়ে থাকে ঢাকের শব্দে। গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয় মায়ের প্রতিমা। বিসর্জনের পরেই বিজয়া উৎসব পালন শুরু হয়।

শুভ বিজয়া দশমী কিভাবে পালন করা হয়
দূর্গা ঠাকুর বিসর্জন

বনেদি বাড়ির পুজো

দুর্গাপূজায় মা দুর্গাকে স্বাগত জানাতে কলকাতার অভিজাত পরিবারগুলিতে বিশাল সাজে সজ্জিত হয়। বহু বনেদি বাড়ির পুজো যেমন শোভাবাজার রাজবাড়ী, ঠনঠনিয়া দত্ত বাড়ি, নরসিংহ চন্দ্র দাঁ বাড়ি, রাণী রাসমণির বাড়ি, সুবল চন্দ্র পরিবার, বাগবাজার হালদার বাড়ি প্রভৃতি জায়গা বেশ প্রসিদ্ধ। আড়ম্বরপূর্ণভাবে উদযাপিত হয় পুজো, সেখানে বহু শতাব্দীর পরেও উৎসাহ এবং জোর একই আছে ।  দুর্গাপূজার সময় কলকাতার এই  সকল বনেদি বাড়ি যেনো জীবন্ত হয়ে ওঠে।

Sovabazar Rajbari Durga Puja

বিদেশে দূর্গাপূজা

বিদেশে দুর্গাপূজা  খুব কম জায়গায় হলেও সেখানে কটা দিন সকলে আনন্দের সাথে উদযাপন করে। প্রকৃতপক্ষে, বিশ্বের বিভিন্ন অংশে বসবাসকারী বাঙালি প্রবাসীদের এক ঝলক পাওয়ার এটি দুর্দান্ত উপায়। এই উৎসব চলাকালীন, বাঙালি, ঐতিহ্যবাহী বাঙালি সংস্কৃতি, পোষাক এবং রান্না অনুকরণ করে। বিদেশে দুর্গা পূজা ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে বৃহত্তম সামাজিক-সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। যেখানে সমস্ত সম্প্রদায়ের লোকেরা একত্রিত হয়ে তাদের শিল্প ও সংস্কৃতিতে, তাদের প্রতিভা উপভোগ এবং প্রদর্শন করতে পারে। বিদেশের প্রায় অনেক জায়গায়ই নেপাল, বাংলাদেশ, আমেরিকা, লন্ডন, মালয়েশিয়া, জাপান, ব্রাজিলে অত্যন্ত আনন্দের সাথে পালন করা হয় দুর্গাপূজা।

পড়ুন:- ভারতবর্ষের যাবতীয় তথ্য

বাংলাদেশ দূর্গাপূজা

বিশ্বব্যাপী বাঙালির দ্বিতীয় বৃহত্তম আবাসস্থল বাংলাদেশ, এখানে ধুমধামের সঙ্গে দুর্গাপুজো পালিত হয়। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি শহর ও জেলায় এই উৎসবটি উদযাপিত হয়ে থাকে। সামগ্রিকভাবে, সারা দেশে এমনকি রাজধানী ঢাকায়ও বহু প্যান্ডেল হয়। মন্দিরগুলি দেবীর মূর্তি দিয়ে সজ্জিত করা হয়, যেখানে উপাসকরা গিয়ে শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন। নদী এবং সমুদ্রে প্রতিমাগুলির নিমজ্জনের সাথে পাঁচ দিনব্যাপী এই  উৎসবের সমাপ্তি ঘটে বিজয় দশমীতে।

শুভ বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা বার্তা

  • মা যে আজ যাওয়ার সাজে, বিসর্জনের ঘন্টা বাজে। 
  • বিসর্জনের কষ্ট তুমিও বুঝবে সেই দিন, মাটির মূর্তিটাকেও মায়ের মতো ভালোবাসবে যেইদিন। 
  • শুভ বিজয়ায় মিষ্টি মুখ করুন, সাথে মিষ্টি হয়ে উঠুক আপনার জীবন।

শুভ বিজয়ার আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা

আপনার কাছ থেকে আরো ৫ সেকেন্ড চাইছি এই আর্টিকেল টি শেয়ার করার জন্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।