পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি? পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা হলো দক্ষিণ ২৪ পরগনা (south 24 parganas)।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা, অঞ্চল অনুসারে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম জেলা এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম জেলা। এটি ভারতের ষষ্ঠতম সর্বাধিক জনবহুল জেলা।

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি
পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?

Table of Contents

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার নামকরণ

২৪ পরগনা নামটি ১৭৫৭ সালের ১৫ই জুলাই থেকে প্রচলিত ছিল, যখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মীরজাফরকে সদ্য বাংলার নবাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। এই কোম্পানিকে মীরজাফর ২৪টি মহলের অধিকার প্রদান করেছিলেন। সেই অধিবেশন রেকর্ডও করা হয়েছিল। চুক্তির মাধ্যমে বলা হয়েছিল যে, “কলকাতার দক্ষিণে কুলপি পর্যন্ত সমস্ত জমি এবং এই জমিদারির সমস্ত আধিকারিকেরা ইংরেজ কোম্পানির জমিদারির অধীনে থাকবে। একইভাবে এই কোম্পানি অন্য জমিদারির প্রদেয় রাজস্ব প্রদান করবে।”

বর্তমান দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা ১৯৪৬ সালের ১লা মার্চ অস্তিত্ব লাভ করে। এরপরে এই জেলা দুটি উপ-বিভাগ আলিপুর ও ডায়মন্ড হারবার এবং ৩০টি ব্লকের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। বর্তমানে পাঁচটি সাব ডিভিশন (আলিপুর, বারুইপুর, ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার এবং কাকদ্বীপ) এবং সাতটি পৌরসভা আছে। আলিপুর হল জেলার সদর দপ্তর।

স্বামী নারায়ণ মন্দির জোকা
স্বামী নারায়ণ মন্দির জোকা

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ইতিহাস

দক্ষিণ ২৪ পরগনা প্রকৃতপক্ষে একটি মিশ্রিত জেলা, মহানগরী কলকাতা থেকে প্রত্যন্ত গ্রামগুলি নদীতীরস্থ বঙ্গোপসাগরের সম্মুখভাগ পর্যন্ত বিস্তৃত।

একসময় রাজা বিক্রমাদিত্য ও মহারাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী ছিল বাংলাদেশের ধুমঘাটে। পরে এটি ঈশ্বরীপুরে স্থানান্তরিত হয় (নাম যশোরেশ্বরীপুর থেকে উৎসারিত)। মহারাজা প্রতাপাদিত্য ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে দক্ষিণবঙ্গকে (যশোর, উত্তরে খুলনা, সুন্দরবন, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে বরিশাল এবং পশ্চিমে গঙ্গা) স্বাধীন ঘোষণা করেছিলেন। বিভিন্ন প্রাচীন ইতিহাসে সাগরদ্বীপ অঞ্চল ও কপিলমুনি আশ্রমের অবস্থানের উল্লেখ পাওয়া যায়।

১৯৮৩ সালে ডঃ অশোক মিত্রের প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি এই জেলাকে বিভাজনের নির্দেশ দেয়। ১৯৮৬ সালে ১লা মার্চ জেলাটিকে উত্তর ২৪ পরগণা জেলা ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলা নামক দুটি জেলায় ভাগ করা হয়। দুটি জেলাই প্রশাসনিক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত।

পড়ুন:- ভারতের স্বাধীনতা দিবস

দক্ষিণ ২৪ পরগনার অবস্থান

দক্ষিণ ২৪ পরগনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সবচেয়ে বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। জেলাটি সুন্দরবনের ব-দ্বীপ অঞ্চলের জন্য বিখ্যাত, এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র, যেখানে সারা বিশ্বের পর্যটকরা ভ্রমণে আসেন। এখানকার জমি খুব উর্বর এবং ঘন বনাঞ্চলের সমন্বয়ে গঠিত। এখানে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার সহ প্রচুর পাখি, প্রাণী এবং গ্রীষ্মকালীন ক্রান্তীয় গাছ রয়েছে। সুন্দরবনের বাঘ, অভয়ারণ্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। আজ জেলাটি ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে স্বীকৃত।

দক্ষিণ ২৪ পরগনা পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত এবং প্রচুর নদনদী ও  দ্বীপপুঞ্জ বিশিষ্ট। এই জেলা উত্তর 20’20” দক্ষিণ 22’06” এবং দ্রাঘিমাংশ পূর্ব 88’20” পশ্চিম 88’60” এর মধ্যে অবস্থিত। জেলাটির উত্তরে উত্তর চব্বিশ পরগনা, পশ্চিমে হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর পূর্বে উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং পূর্বে বাংলাদেশ অবস্থিত। এছাড়াও এই জেলায় রেলওয়ে পরিষেবা সহজেই পাওয়া যায়। ট্রেনগুলি জেলাটিকে দেশের অন্যান্য অংশের সাথে সংযুক্ত করে। এই জেলার প্রধান সদর দপ্তর আলিপুরে অবস্থিত।

ডায়মন্ড হারবার
ডায়মন্ড হারবার

বারুইপুর

বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার একটি শহর ও পৌরসভা। এটি মহানগর কলকাতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকা, যা বারুইপুর মহকুমার সদর দপ্তর।

দক্ষিণ ২৪-পরগনা জেলা মানচিত্রে জাতীয় মহাসড়ক, প্রধান সড়কগুলি, জেলা সদর, নদনদী ইত্যাদি লক্ষ্য করা যায়।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার নদনদী

দক্ষিণ ২৪টি পরগনা জেলার নদীগুলির মধ্যে হুগলি, বিদ্যাধরী, পিয়ালী, সপ্তমুখী, গোসাবা, মুড়িগঙ্গা, মাতলা, ইছামতী ও যমুনা ইত্যাদি প্রধান। হুগলি নদী এই জেলার পশ্চিম সীমানা ঘেঁষে প্রবাহিত হয়। বাকি নদীগুলি গঙ্গা ও পদ্মার শাখা নদী।

পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর নদী, এই অঞ্চলটিকে নদীগুলি জালের মতো ঘিরে রয়েছে। এইসব নদীর মধ্যে মাতলা একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। রায়মঙ্গল ও মাতলা নদীর সঙ্গমে গঠিত গোসাবা নদীর এক বিস্তৃত মোহনা (বঙ্গোপসাগর) রয়েছে। সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। নদনদীর ভাটা দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয় বলে এই অঞ্চল একসময় ‘ভাটিদেশ’ নামে পরিচিত ছিল।

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে প্রাচীন যুগের ইতিহাস। এই জেলায় বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান যেমন পাল ও সেন যুগের মন্দিরের জন্য বিখ্যাত সাগরের মন্দিরতলা, মধ্যযুগের নদীবন্দর হরিনারায়নপুর, কঙ্কনদিঘি, দেউলপোতা, হিরণ্ময়পুর ও ধোষা, বাইশহাটা, তিলপি, বকুলতলা ইত্যাদি স্থানগুলির সন্ধান পাওয়া গেছে।

বারুইপুরের গোবিন্দপুর গ্রামে দ্বাদশ শতাব্দীর সেন বংশের রাজা লক্ষণ সেনের গ্রামদানের একটি তাম্রশাসন এবং একটি পুরানো পুকুরপাড়ে ইটের ওপর কারুকাজ করা স্তুপ পাওয়া যায়। তাছাড়া গোবিন্দপুরের দক্ষিণে প্রাচীন একটি দুর্গের ধ্বংসাবশেষও রয়েছে। জয়নগরে সূর্য মূর্তি দেখা গিয়েছিল এবং বারাসাত গ্রামে বিষ্ণু, নৃসিংহের একাধিক পাথরের মূর্তি, স্তম্ভ, চক্র ইত্যাদি পাওয়া গেছে। এছাড়া অন্যান্য অঞ্চলেও অষ্টধাতুর বুদ্ধমূর্তি, অন্যান্য পাথর ও পোড়ামাটির মূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে।

শ্রীচৈতন্যের স্মৃতি জড়িত বারুইপুরের মহাপ্রভুতলা, ফলতায় জগদীশচন্দ্র বসুর গবেষণা কেন্দ্র ও উদ্যান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গোসাবার বাংলো, বারুইপুর ও জয়নগরে বঙ্কিমচন্দ্রের বাড়ি, কোদালিয়ায় সুভাষচন্দ্র বসুর বাড়ি, তারাশঙ্করের বজবজের মাকালী, ১৮৯৭ সালে বিবেকানন্দের বজবজ পুরাতন স্টেশন প্রভৃতি নিদর্শন জড়িয়ে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন স্থানের সাথে। 

দক্ষিণ ২৪ পরগনা
দক্ষিণ ২৪ পরগনা

ঔপনিবেশিক শাসন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা

১৭৫৭ সালে বাংলার নবাব মীরজাফর কলকাতার দক্ষিণে কুলপি পর্যন্ত অঞ্চলে ২৪ টি মহল বা পরগনার জমিদারি সত্ত্ব ভোগ করার অধিকার দেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে। এই ২৪টি পরগনা হল- আকবরপুর, আমীরপুর, আজিমবাদ, বালিয়া, বাদিরহাটি, বসনধারী, কলিকাতা, দক্ষিণ সাগর, গড়, হাতিয়াগড়, ইখতিয়ারপুর, খাড়িজুড়ি, খাসপুর, মেদনমল্ল, মাগুরা, মানপুর, ময়দা, মুড়াগাছা, পাইকান, পেচাকুলি, সাতল, শাহনগর, শাহপুর, উত্তর পরগনা। সেখান থেকে অঞ্চলটির নাম হয় ২৪ পরগনা।

১৭৫৯ সালে কোম্পানি লর্ড ক্লাইভকে এই ২৪টি পরগনা দেয়। ১৭৭৪ সালে লর্ড ক্লাইভের মৃত্যুর পর এটি আবার কোম্পানির হাতে চলে আসে। ইংরেজ আমলে ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনিক কারণে বহুবার ভাগ হয়েছে। ইংরেজ আমলে কলকাতা ২৪ পরগনা জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভারতের রাজধানীতে পরিণত হয়। 

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার প্রশাসনিক বিভাগ

দক্ষিণ ২৪টি পরগনা জেলাটি পাঁচটি মহকুমা নিয়ে গঠিত: আলিপুর সদর, বারুইপুর, ডায়মন্ড হারবার, ক্যানিং এবং কাকদ্বীপ। পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা।  জেলার ৩৩ টি থানা, ২৯ টি সামাজিক উন্নয়ন ব্লক, ৭ টি পৌরসভা এবং ৩১২ টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। জেলায় মোট ৩৭টি দ্বীপ আছে। সুন্দরবন অঞ্চলটি ১২ টি সম্প্রদায় উন্নয়ন ব্লকে অন্তর্ভুক্ত। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট – উভয় দুর্যোগে ঝুঁকিপূর্ণ। কলকাতা জেলার সাথে সংগতিপূর্ণ, মানুষের মধ্যে একটি অনন্য নগর-গ্রামীণ ধারাবাহিকতা আছে। 

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে প্রায় ৩৩ টি থানা আছে। যেমন বারুইপুর, বাসন্তী, বেহালা, বজবজ, ক্যানিং, ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর, জয়নগর, কসবা কুলপি, সোনারপুর ইত্যাদি জায়গায় থানা অবস্থিত।

বকখালি ব্রিজ
বকখালি ব্রিজ

দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার পর্যটন কেন্দ্র গুলি

দক্ষিণ ২৪ পরগনা পর্যটক শিল্পের জন্য সুপরিচিত। এই জেলা মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর, প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটক ভ্রমণে আসেন। গঙ্গাসাগর, সুন্দরবন, বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, ডায়মন্ড হারবার, বজবজ, মহেশতলা ইত্যাদি অত্যন্ত পরিদর্শনমূলক স্থান। এই জেলার মধ্যে দিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সড়ক প্রবাহিত হয়েছে (ম্যাপে পরিদর্শনীয়), যা ছোট বড়ো বহু শহরের সাথে সংযুক্ত। ডায়মন্ড হারবার এখানকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সড়কপথ যা এই জেলার স্থলপথের সাথে সংযোজিত হয়েছে।

দক্ষিণ ২৪ পরগণার সাগরদ্বীপ হলো পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বৃহত্তম দ্বীপ। এই জায়গাটিও এখন পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে বিখ্যাত। কপিলমুনির আশ্রম এই দ্বীপেই অবস্থিত। এখানে পৌষ সংক্রান্তির মেলা অর্থাৎ ‘গঙ্গাসাগর মেলায়’ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম দেখা যায়। জেলার খবর হিসাবে সাগরমেলার লাইভ সম্প্রচারও দেখানো হয়।

সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অঞ্চল, যা দক্ষিণ ২৪ পরগণার একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। ম্যানগ্রোভ অরণ্য সেই সাথে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার দেখার জন্য পর্যটকের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

তাছাড়া বর্তমানে নতুন দুটি স্থান মৌসুনী আইল্যান্ড ও হেনরি আইল্যান্ড পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। ক্যানিং দক্ষিণ ২৪ পরগণার একটি গুরুত্বপূর্ণ মৎসকেন্দ্র, যার ফলে এই জেলার ব্যবসা ও অর্থনীতির পথ প্রশস্ত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বহু জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, সুন্দরবনের গোসাবা, পাথরপ্রতিমা, বাসন্তী, ক্যানিং, সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকা প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?
বকখালি

দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়

২০২১ সালের জনগণনার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সাক্ষরতার হার ৭৮.৫৭ শতাংশ।এই মহকুমাতে অনেকগুলি বিখ্যাত বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় আছে৷ বহু ছাত্রছাত্রী দূর দূরান্ত থেকেও উচ্চশিক্ষার জন্য এই জেলায় আসেন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার উল্লেখযোগ্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলি হল বারুইপুর সরকারী পলিটেকনিক, বাটানগর ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং,ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সায়েন্স, বজবজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, কলকাতা বিজনেস স্কুল, কলকাতা ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, হেরিটেজ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, ডায়মন্ড হারবার সরকারী পলিটেকনিক, ডায়মন্ড হারবার মহিলা মহাবিদ্যালয়, ফিউচার ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, এন.এস.এইচ.এম. নলেজ ক্যাম্পাস, নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, প্রভৃতি।

উত্তর ২৪ পরগনা

উত্তর ২৪ পরগনা হল পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে জনবহুল একটি জেলা, আয়তন অনুসারে রাজ্যের দশম বৃহত্তম এবং সর্বাধিক ঘন জনবহুল এলাকা। এর উত্তরে নদিয়া, উত্তর-পূর্বে বাংলাদেশ (খুলনা বিভাগ), দক্ষিণে ২৪ পরগনা ও কলকাতা এবং পশ্চিমে হাওড়া ও হুগলীর সীমানা রয়েছে। বারাসাত উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সদর। 

উত্তর ২৪ পরগনা জেলা মানচিত্রে জাতীয় মহাসড়ক, প্রধান সড়ক, জেলা সদর, ইত্যাদি দেখতে পাওয়া যায়।

পশ্চিমবঙ্গের নবীনতম জেলা কোনটি?

কালিম্পং পশ্চিমবঙ্গের নবীনতম জেলা। ভৌগোলিকভাবে এই অঞ্চলটি দার্জিলিং, হিমালয় পার্বত্য অঞ্চল, তারাই ও ডুয়ার্স অঞ্চল এবং উত্তরবঙ্গ সমভূমিতে বিভক্ত।

সবচেয়ে ছোট জেলার নাম কি?

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে ছোট জেলার নাম হল কোলকাতা। (আয়তন-১৮৫ বর্গ কিলোমিটার)।

ভারতের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?

বর্তমানে ভারতের সবথেকে বড় জেলা হলো গুজরাটের কচ্ছ জেলা। যার আয়তন ৪৫,৬৫২ বর্গ কিলোমিটার।

পশ্চিমবঙ্গের ব্লক কয়টি?

বর্তমানে রাজ্যে সব মিলিয়ে ২৩টি জেলা সদর, ৬৬টি মহকুমা এবং ৩৪১ টি ব্লক রয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের মোট জেলা কয়টি?

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের জেলা ২৩ টি।

পশ্চিমবঙ্গের মহকুমা কয়টি?

এই রাজ্যের জেলাগুলিকে শাসনকার্যের সুবিধার জন্য কয়েকটি মহকুমায় বিভক্ত করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলা বর্তমানে ৬২টি মহকুমায় বিভক্ত।

পশ্চিমবঙ্গের কয়টি বিভাগ?

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ৫টি বিভাগ ও ২৩টি জেলায় বিভক্ত।

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় শহর কোনটি?

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় শহর হল কোলকাতা।

পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত জেলা কোনটি?

পশ্চিমবঙ্গের নবগঠিত জেলা হল পশ্চিম বর্ধমান। (২০১৭ সালের ৭ই এপ্রিল গঠিত)।

আপনার কাছ থেকে আরো ৫ সেকেন্ড চাইছি এই আর্টিকেল টি শেয়ার করার জন্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।